সোনারগাঁয়ে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জ বার্তা ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরহোগলা বালুরঘাট এলাকায় রাজু আহম্মেদ (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তাকে রক্ষা করতে এলে পরিবারের নারী ও অন্য সদস্যদেরও মারধর করে আহত করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে চরহোগলা বালুরঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাজু আহম্মেদ ওই এলাকার বাসিন্দা আয়নাল হক ও সালেহা বেগম দম্পতির ছেলে। স্ত্রী সুমাইয়া,ও দুই ছেলে, এবং বাবা-মা ভাই বোন নিয়ে তার সংসার। নিহত রাজু স্থানীয়ভাবে গরুর খামার পরিচালনা করতেন।
পরিবারের দাবি, রাজু অতীতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও কয়েক মাস আগে সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।
নিহতের বড় বোন সোনিয়া বেগম ও ছোট বোন রুমি আক্তার অভিযোগ করেন, রাজু দীর্ঘদিন এলাকায় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও প্রায় তিন মাস আগে তিনি রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। এরপর স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহাদাত প্রধানের সঙ্গে তার বিরোধের সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
স্থানীয় লোকজন জানান, ঘটনার রাতে রাজুর এক ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে স্থানীয় নুরুল ও জাকিরের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। খবর পেয়ে রাজু সেখানে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহাদাত প্রধানের নেতৃত্বে জাহিদ, নুরুল ও জাকিরসহ ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাজুর বাড়িতে হামলা চালায়। ফুফাতো ভাইকে না পেয়ে তারা রাজুর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর ও ছুরিকাঘাত করে। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে পরিবারের নারী ও অন্য সদস্যদেরও মারধর করে আহত করা হয়।